‘নান্দিক পাঠাগার’ এর উদ্যোগে পলান সরকারের জন্মদিন স্মরণ।
শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানবেন। আপনি জেনে আনন্দিত হবেন যে, “নান্দিক পাঠাগার” প্রতি বছর বিশেষ দিন, বিষয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। এই আলোকে প্রতিবছর “আলোর ফেরিওয়ালা” পলান সরকারের জন্মদিন স্মরণ করে আসছে নান্দিক।
এই ধারাবাহিকতায় ১০ আগস্ট আলোর ফেরিওয়ালা পলান সরকারের জন্মদিন স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
১০ আগস্ট ২০২৫ রবিবার বিকেল ৫.০০টায় কাঁটাবনের পাঠক সমাবেশ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। ‘নান্দিক পাঠাগার’ এর উদ্যোগে পলান সরকারের জন্মদিন স্মরণ অনুষ্ঠানে সাহিত্য সংস্কৃতির বিশেষ ব্যক্তিগণ সহ উপস্থিত ছিলেন নান্দিক সদস্যবৃন্দ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-
আশরাফুল আলম (বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা, স্বাধীনতা পুরাস্কারপ্রাপ্ত)
কবি নাসির আহমেদ
লেখক গবেষক আব্দুল মান্নান সরকার
কবি মুজতবা আহমেদ মুরশেদ
লেখক ও সম্পাদক আমিরুল বাসার
মাহবুবুল ইসলাম
আরিফ চৌধুরী শুভ
কবি ও প্রাবন্ধিক শেখ ফিরোজ আহমদ
গিয়াসউদ্দিন চাষা
জাকিয়া শিশির
নাসরিন সুলতানা
মজিবর রহমান
আক্কাস মাহমুদ
ইসমত শিল্পী
সুদীপ্ত মাহমুদ
মার্টিন
আবির সোহান
কামরুজ্জামান পৃথু
বর্তমান পরিস্থিতিতে কেমন পাঠাগার দেখতে চাই এই নিয়ে পাঠাগার উদ্যোক্তা হিসেবে করনীয় বা নিজেদের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কবি ইসমত শিল্পী। তিনি বলেন, পাঠাগার এখন আর শুধু প্রিন্ট বই কেন্দ্রিক হলে যুব সমাজের চাহিদা পূরন করতে পারবে না বরং অনলাইন ভিত্তিক পাঠাগার তৈরী করতে পারলে পাঠকের আগ্রহ তৈরী হবে। পাঠাগারের সকল বই, জার্নাল, পত্রিকা ইত্যাদি অনলাইন ভিত্তিক হলে, পাঠক (পাঠাগারে সদস্য) নিজ নিজ কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল কিংবা ট্যাব এর মাধ্যমে বই পড়তে পারবে। মাসিক সদস্য ফি দিয়ে ইচ্ছেমত বই পড়তে পারবে। ই-বুক সিস্টেম না করতে পারলে, পাঠক অনেক দূর থেকে গিয়ে পাঠাগারে বসে বসে বই পড়বে যেটা বর্তমান পরিস্থিতিতে সময়ে অপচয়। ফলে পাঠাগার হবে প্রিন্ট কপি এবং অন-লাইন ভিত্তিক, তবেই পাঠাগারের প্রতি মানুষের আগ্রহ জন্মাবে।