নির্ভয়
আয়ু নেই,হয়তো তাই কবর দিয়েছি মায়া
চোখ নেই, দেখিনা নকল মানুষের কায়া।
ভাষা নেই,হয়তো তাই থেকেছিলাম চুপচাপ
ভয় নেই,এজন্যই করে চলছি যাবতীয় পাপ।
কেবল আছে ঈশ্বর, স্বর্গীয় দূত বললো—
ঈশ্বরী আপাতত থাকেনা আরশে
এইকালে পরকালে কোনকালে আর—
স্মৃতি না জমুক তোমাকে ঘেঁষে।
২.
সে আর বেঁচে নেই
যে প্রেমিক চুষে নিয়েছিলো লিপ কিসের নাম করে তোমার বাক স্বাধীনতা
মরার আগে তাকে একটু কথা দিও!
বুকে বুক রেখে তাকে একটু শ্বাস দিও
যাতে সে বাঁচতে পারে শতাব্দীর সুখ হয়ে।
তুমি মরার পর সে দুঃখ পেলে—
জেনো,সে আর বেঁচে নেই!
৩.
আমাদের সন্তানের নাম গণতন্ত্র হোক
তুমি বাতাস মুখস্থ করো,ওটু এন্টু সিওটু ভংচং
অথচ আমাকে সরলীকরণ করতে পারোনা প্রেমে!
মেয়ে তুমি ক্যামেস্ট্রি বুঝো,বুঝো বায়বীয় তরল পদার্থ
ভিনেগার চেনো সংকেতে, ক্রিস্টাল পদার্থের বাসর ঘর
কেবল দেখো না,প্রেম।তুমি মানো সবখানে ক্যামেস্ট্রি
সাবানে শ্যাম্পুতে কনডমে আমাদের জীবনের সবখানে
এ-ও কি মানো প্রেম ছাড়া ক্যামেস্ট্রি বনবাসে দূর বনে!
মেয়ে তুমি বিজ্ঞান ছেড়ে হাত ধরো,আসো ফিলোসোফি শেখি
বার্ট্রান্ড রাসেলকে মুখোমুখি দাঁড় করাই থেলিসের সামনে,চলো!
জিজ্ঞেস করি হোয়াট ইজ দ্য বেসিক অব লাভ?
৪.
কুলসুম বেগম
প্রথম কেঁদেছি বৃহস্পতিবার এক ষোড়শী মেয়ের মুখ দেখে
দুঃখের পুলসিরাত চোখে বয়ে পার হতে দেখেছি
হাসি।
প্রথম চুমু, প্রথম আদর,প্রথম হাসি,প্রথম অভিমান প্রথম ভালোবাসি সব সব।
তাই পৃথিবীতে আজ কারো আদর পেলে তাঁর ভেতরে জেগে ওঠে —কুলসুম বেগম
তাই রোজ কান্না পেলে,প্রতিদিন হয়ে ওঠে বৃহস্পতিবার।
৫.
মৌসুমি
দুঃখ জাগলে বেঁচে ওঠে আমার ঈশ্বর
প্রেম জাগলে যেনো দূরন্ত মেয়ে তুমি।
ঈশ্বরকে ভালোবেসে সেজদা দিয়েছি
তোমাকে ভালোবেসে ডেকেছি মৌসুমি।